Monday, 13 June 2011

সেই চেনা মেয়ে...

 তার প্রিয় মুখে যন্ত্রনা ছিল বহুদিনের নিপিরণের,
তার চোখে আদ্রতা ছিল দূরবিশহ স্মৃতি নিরোধনে
সে খুব ক্লান্ত বাস্তবের সাথে প্রতি নিয়ত যুদ্ধ করে করে
তাকে এতদিন চিনতাম অন্য নামে,আজ সময় চেনালো আর এক নামে

সে মোদের মুখচেনা এক নারী
তাকে এতদিন চিনতাম অন্য নামে
আজ চিনলাম নিয়তির শিকার রূপে।

তার দেহে আঘাতের দাগ আদৃশ্য হয়েছে,
খালি মনে রয়ে গেছে হাজারো কালো আঘাত চিহ্ন।
তার অবলুপ্ত মন প্রতিবাদ করেনি,ভেবেছে একমনে,
'গরম জল ফুটছে বিনা চালে
ঝাঁপ দিয়ে দি এই জল এ! নাকি আর একটু সইবো
যদি বদলায় সময়,যদি সে বলে ভালোবাসি তোরে'।

তার বাপ মা বুলি পড়িয়েছে অহিংস হও।
তাই সে হাতে অস্ত্র তুলে নেইনি
নিরস্ত্র মা দুগগাও কি পেরেছিলো মহিসাসুর বধ করতে?
এতো সামান্য নারী মাত্র!
না পান করেছে অমৃত না সে দশভুজা!

দুই হাত কপালে ঠেকিয়ে সে মাটির পানে দেখে
কেন দুই ভাগ হয়না বসুন্ধারা,কেন মিশে যায়না সে ধরণী মায়ের বাহূবন্ধনে?
তার ত্রিনয়নও অকজো,ত্রিনয়ন জীবন্ত থাকলে তাও দেখতে পেতো আগামী অশনী সংকেত।

মোদের মুখচেনা সেই নারী ভালোবেসেছিলো বাল্যবন্ধুকে,তার নামে সিঁদুর পরতো সিঁথির মাঝে।
সিঁদুর ধুঁইয়ে মুছে গেল গঙ্গার জলে,শাঁখা পলা খুলে ভেসে গেল তরঙ্গে
গ্নানির আধখানা মনের কোণে জমে আর বাকিটা বয়ে গেলো জলের স্রোতে

মুঠোহাতে বন্ধ করা তার নিজের জীবণ নাকি অন্যের মরণ?
হাত থেকে খসে পড়লো দুই মাসের শিশুকন্যার সাদাকালো ছবি
পিছনের সাদায় লেখা “আমার মৃত্যুর জন্যে অন্ধ প্রেম দায়ী......ক্ষমা কর জীবণ...তোর মৃত্যুর জন্যে আমি দায়ী.........”

2 comments: